Description
পণ্যের বিবরণ
শরবত জিনসিন একটি শক্তিবর্ধক ও পুষ্টিকর ইউনানি শরবত, যা শরীরের সাধারণ দুর্বলতা দূর করতে সহায়তা করে এবং স্নায়বিক ও হরমোনজনিত কার্যক্রমকে স্বাভাবিক রাখতে ভূমিকা রাখে। এটি দেহের প্রয়োজনীয় পুষ্টি উৎপাদনে সহায়তা করে, অবসাদ কমায় এবং যৌন দুর্বলতা দূর করতে কার্যকর।
নিয়মিত সেবনে এটি বার্ধক্যজনিত অসুস্থতা প্রতিরোধে সহায়তা করে, শরীরকে সতেজ রাখে এবং যৌবনদীপ্ত দীর্ঘ জীবনধারণে সহায়ক হিসেবে কাজ করে।
রোগ নির্দেশনা / উপকারিতা
- সাধারণ ও স্নায়বিক দুর্বলতা
- অবসাদ ও শারীরিক ক্লান্তি
- হরমোন উৎপাদনে সহায়তা
- দেহের প্রয়োজনীয় পুষ্টির ঘাটতি পূরণ
- যৌন দুর্বলতা
- বার্ধক্যজনিত শারীরিক সমস্যা
- কর্মশক্তি ও প্রাণশক্তি বৃদ্ধি
- প্রয়োজনীয় যৌন সক্ষমতা অর্জনে সহায়ক
সেবন বিধি
- ২–৪ চা চামচ, দিনে ২ বার
- খাবারের পর সেবন করতে হবে
- অথবা রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সেব্য
উপাদানসমূহ
প্রতি ৫ মি.লি.-এ রয়েছে নিম্নলিখিত উপাদানের নির্যাসঃ
- তজ কলমী — ১.৫০ গ্রাম
- দারচিনি — ১.৫০ গ্রাম
- তাজা ভৃঙ্গরাজ — ১.৫০ গ্রাম
- চুবচীনী — ১.৫০ গ্রাম
- জয়ফল — ১.৫০ গ্রাম
- শ্বেত চন্দন — ০.৭৫ গ্রাম
- যাঞ্জাবীল — ০.৭৫ গ্রাম
- অশ্বগন্ধা — ০.৩৮ গ্রাম
- এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় উপাদান পরিমাণমত





মো. জসিম উদ্দিন –
শরবত জিনসিন এখন আমার প্রতিদিনের ডায়েটের অংশ। এটি কেবল ক্লান্তি দূর করে না বরং শরীরের হজম শক্তি ও রুচি বাড়াতেও সাহায্য করেছে। ভেষজ উপাদানের মিশ্রণ হওয়ায় আমি নিশ্চিন্তে এটি সেবন করছি।
—মো. জসিম উদ্দিন, বগুড়া।
এনামুল হক –
আগে সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর শরীর খুব ভারি লাগত। কিন্তু গত ১০ দিন ধরে শরবত জিনসিন খাওয়ার ফলে সকালে বেশ চনমনে মনে হয়। দিনটা খুব পজিটিভলি শুরু করতে পারছি।
—এনামুল হক, ফেনী।
শফিকুল আলম –
যাঁরা মাঠে কাজ করেন বা শারীরিক পরিশ্রম বেশি করেন, তাদের জন্য এটি একটি পাওয়ার হাউস। আমার স্ট্যামিনা আগের চেয়ে অনেক বেড়েছে এবং শরীর এখন অনেক বেশি ভার সইতে পারে।
—শফিকুল আলম, টাঙ্গাইল।
লুৎফর রহমান –
আমি সবসময় হার্বাল প্রোডাক্ট খুঁজে বেড়াই। এই শরবতের সবচেয়ে ভালো দিক হলো এটি পুরোপুরি ন্যাচারাল। এর স্বাদ এবং ঘ্রাণই বলে দেয় এটি উন্নত মানের ভেষজ নির্যাস থেকে তৈরি। কোনো কৃত্রিম পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া অনুভব করিনি।
—লুৎফর রহমান, গাজীপুর।
তানভীর আহমেদ –
যাঁরা হরমোনজনিত বা স্নায়বিক দুর্বলতায় ভুগছেন, তাঁদের জন্য এটি সেরা একটি প্রাকৃতিক সমাধান। আমি এক মাস ব্যবহারে আমার শারীরিক সক্ষমতায় অভাবনীয় পরিবর্তন লক্ষ্য করেছি। কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়াই এটি দারুণ কাজ করে।
—তানভীর আহমেদ, চট্টগ্রাম।
আব্দুর হামিদ –
বয়স বাড়ার সাথে সাথে শরীরে আগের মতো শক্তি পেতাম না, দ্রুত হাঁপিয়ে যেতাম। এই ইউনানি শরবতটি সেবনের পর আমার শরীরের জড়তা অনেক কমেছে। এটি সত্যিই একটি কার্যকর পুষ্টিকর টনিক যা শরীরকে ভেতর থেকে মজবুত করে।
—আব্দুর হামিদ, সিলেট।
সাগর আহমেদ –
খেলোয়াড় হিসেবে আমার সবসময় অতিরিক্ত শক্তির প্রয়োজন হয়। শরবত জিনসিন আমার বডি রিকভারিতে চমৎকার কাজ করে। প্রাকৃতিক উপায়ে এনার্জি বুস্ট করার জন্য এর চেয়ে ভালো কিছু হয় না।
—সাগর আহমেদ, নাটোর।
আরিফুর রহমান –
অফিসের কাজের চাপে সারাক্ষণ একটা অবসাদ কাজ করত। এক বন্ধুর পরামর্শে শরবত জিনসিন খাওয়া শুরু করি। গত দুই সপ্তাহে আমার ঘুমের মান উন্নত হয়েছে এবং সকালে উঠে অনেক সতেজ অনুভব করি। এখন কাজে খুব ভালো মনোযোগ দিতে পারছি।
—আরিফুর রহমান, ঢাকা।
মোজাম্মেল হক –
পঞ্চাশের কোঠায় এসে যখন অবসাদ ঘিরে ধরছিল, তখন শরবত জিনসিন আমাকে আবার নতুন উদ্যম দিয়েছে। শরীরকে সতেজ ও যৌবনদীপ্ত রাখতে এর জুড়ি নেই।
—মোজাম্মেল হক, সিরাজগঞ্জ।
তারেক মনোয়ার –
অসুস্থতা থেকে সেরে ওঠার পর শরীর খুব ভেঙে গিয়েছিল। চিকিৎসকের পরামর্শে এই টনিকটি ট্রাই করি। খুব দ্রুত আমার হারানো শক্তি ফিরে পেয়েছি। এটি সত্যিই জীবনীশক্তি বৃদ্ধিতে অতুলনীয়।
—তারেক মনোয়ার, পটুয়াখালী।
কামরুল হাসান –
আমি গত ১৫ দিন ধরে শরবত জিনসিন ব্যবহার করছি। আগে সারাদিন খুব ক্লান্ত লাগত এবং কাজে মন বসত না। এটি সেবনের পর এখন শরীর অনেক হালকা ও এনার্জেটিক মনে হয়। বিশেষ করে রাতের ক্লান্তি দূর করতে এটি জাদুর মতো কাজ করে। দারুণ একটি প্রোডাক্ট!
—কামরুল হাসান, গাজীপুর।
আদনান সামি –
সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে আমাকে দীর্ঘ সময় স্ক্রিনের সামনে বসে থাকতে হয়, যা প্রচণ্ড মানসিক ক্লান্তির সৃষ্টি করে। শরবত জিনসিন সেবনের পর আমার মেন্টাল ফোকাস অনেক উন্নত হয়েছে এবং বিকেলের দিকে যে ঝিমুনি আসত, তা এখন আর নেই।
—আদনান সামি, মিরপুর।
মাহমুদুল হাসান –
শরীরের অভ্যন্তরীণ দুর্বলতা কাটাতে এটি জাদুর মতো কার্যকর। আমি এটি ২ মাস ধরে নিয়মিত ব্যবহার করছি এবং আমার শারীরিক সক্ষমতা ও মেজাজ—উভয় ক্ষেত্রেই ইতিবাচক পরিবর্তন লক্ষ্য করেছি।
—মাহমুদুল হাসান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া।
জাকির হোসেন –
আমার বাবার জন্য এটি নিয়েছিলাম। উনার বয়স ৭০ এর কাছাকাছি, উনার হাত-পায়ের দুর্বলতা অনেক কমেছে এবং এখন উনি নিজেই বিকেলে পার্কে হাঁটাহাঁটি করতে পারেন।
—জাকির হোসেন, নোয়াখালী।
নাসির উদ্দিন –
যাঁদের খাবারের অনিয়মের কারণে পুষ্টির অভাব আছে, তাঁদের জন্য এটি সেরা একটি সাপ্লিমেন্ট। আমি এটি খাওয়ার পর থেকে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা আগের চেয়ে অনেক বেশি অনুভব করছি।
—নাসির উদ্দিন, নারায়ণগঞ্জ।
আরিফ হোসেন –
এটি খাওয়ার পর থেকে আমার শুধু এনার্জিই বাড়েনি বরং হজম প্রক্রিয়াও অনেক উন্নত হয়েছে। শরীরের প্রয়োজনীয় পুষ্টির অভাব মিটিয়ে এটি আমাকে সুঠাম রাখতে সাহায্য করছে।
—আরিফ হোসেন, কক্সবাজার।
ফয়সাল চৌধুরী –
ইউনানি এই ফর্মুলাটির ওপর আমার ভরসা ছিল আর ফলাফল পেয়েছি হাতেনাতে। এটি শরীরের হরমোনাল ব্যালেন্স ঠিক রেখে কর্মক্ষমতা ফিরিয়ে আনতে সত্যিই জাদুর মতো কাজ করে।
—ফয়সাল চৌধুরী, কুমিল্লা।
মেহেদী হাসান –
আমি নিয়মিত জিমে যাই। ব্যায়ামের পর যে ক্লান্তি আসত, তা কাটাতে এই টনিকটি দারুণ কাজ করছে। এটি আমার মাসল রিকভারিতেও সাহায্য করছে বলে মনে হচ্ছে।
—মেহেদী হাসান, যশোর।
সাদিক মাহমুদ –
দীর্ঘদিন ধরে শারীরিক দুর্বলতায় ভুগছিলাম। শরবত জিনসিন সেবনের ১০ দিনের মাথায় আমি পরিবর্তন বুঝতে শুরু করি। শরীরের জড়তা কেটে গেছে এবং এখন দীর্ঘক্ষণ কাজ করলেও ক্লান্ত লাগে না।
—সাদিক মাহমুদ, রাজশাহী।
সালাহউদ্দিন আহমেদ –
এই শরবতটি খাওয়ার পর আমার খাবারের রুচি বেড়েছে এবং শরীর অনেক বেশি ঝরঝরে মনে হয়। এটি যে শুধু শক্তির জন্য কাজ করে তা নয়, পুরো শরীরকে সতেজ রাখে।
—সালাহউদ্দিন আহমেদ, খুলনা।
শাহরিয়ার নাফিস –
আমি এটি প্রায় এক মাস ধরে ব্যবহার করছি। এটি কোনো সাময়িক এনার্জি ড্রিংক নয় বরং ভেতর থেকে শক্তি জোগায়। হার্বাল হওয়ায় এর কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই, যা আমার সবচেয়ে ভালো লেগেছে।
—শাহরিয়ার নাফিস, ময়মনসিংহ।
কাজী নাজমুল হুদা –
বাজারের কেমিক্যালযুক্ত এনার্জি ড্রিংকের চেয়ে প্রাকৃতিক উপাদানে তৈরি শরবত জিনসিন অনেক বেশি নিরাপদ। অশ্বগন্ধা ও শ্বেত চন্দনের মতো উপাদানের উপস্থিতিতে এটি শরীরকে প্রাকৃতিকভাবে উজ্জীবিত রাখে।
—কাজী নাজমুল হুদা, খুলনা।
ড. হারুনুর রশীদ –
শরবত জিনসিন কোনো সাময়িক উদ্দীপক নয় বরং এটি শরীরের অভ্যন্তরীণ পুষ্টির ঘাটতি পূরণ করে দীর্ঘমেয়াদী শক্তি প্রদান করে। গত কয়েক সপ্তাহ ব্যবহারের পর আমি শারীরিক ও মানসিকভাবে অনেক বেশি সতেজ বোধ করছি।
—ড. হারুনুর রশীদ, রাজশাহী।
মাসুম বিল্লাহ –
আমি আমার বয়স্ক মায়ের জন্য এই শরবতটি নিয়মিত ক্রয় করছি। এটি উনার বার্ধক্যজনিত সাধারণ দুর্বলতা ও স্নায়বিক জড়তা কাটাতে সহায়ক হয়েছে। ইউনানি চিকিৎসার এই ফর্মুলাটি নিরাপদ এবং অত্যন্ত কার্যকর।
—মাসুম বিল্লাহ, চট্টগ্রাম।
ইফতেখার আহমেদ –
যাঁরা প্রাকৃতিকভাবে শারীরিক সক্ষমতা এবং স্ট্যামিনা বৃদ্ধি করতে চান, তাদের জন্য শরবত জিনসিন একটি আস্থাসম্পন্ন পণ্য হতে পারে। এর ভেষজ উপাদানের সংমিশ্রণ রক্ত সঞ্চালন ও জীবনীশক্তি বাড়াতে অভাবনীয় ভূমিকা রাখে।
—ইফতেখার আহমেদ, সিলেট।
সৈয়দ আমানুল্লাহ –
অফিসের দীর্ঘ সময়ের কাজের চাপ এবং মিটিংয়ের পর মানসিকভাবে ভীষণ অবসাদগ্রস্ত হয়ে পড়তাম। শরবত জিনসিন আমার ডায়েটে যোগ করার পর থেকে আমার কনসেন্ট্রেশন লেভেল অনেক বেড়েছে। এটি ক্লান্তি দূর করে প্রডাক্টিভিটি বজায় রাখতে দারুণ কার্যকর।
—সৈয়দ আমানুল্লাহ, ঢাকা।
কামরুজ্জামান –
বাজারে অনেক প্রোডাক্ট থাকলেও এই ইউনানি শরবতটির বিশুদ্ধতা এবং গুণগত মান আমাকে মুগ্ধ করেছে। খুব সুন্দর প্যাকিং এবং সঠিক নির্দেশনা মেনে চললে ফল পাওয়া নিশ্চিত।
—কামরুজ্জামান, ঝিনাইদহ।
আশরাফুল আলম –
সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর খুব অলসতা লাগত। শরবত জিনসিন শুরু করার পর এখন আমি অনেক বেশি অ্যাক্টিভ। সারাদিন উদ্যমের সাথে কাজ করার শক্তি পাই।
—আশরাফুল আলম, রংপুর।
রাশেদুল ইসলাম –
ব্যবসায়িক কাজে প্রচুর মানসিক চাপে থাকতে হয়। শরবত জিনসিন আমার স্নায়বিক চাপ কমাতে সাহায্য করেছে। এখন রাতে ঘুম ভালো হয় এবং সকালে ফ্রেশ মনে কাজ শুরু করতে পারি।
—রাশেদুল ইসলাম, বরিশাল।