Description
Safaron (Qurs Hazmola) – 30 Tablets
প্রাকৃতিক ইউনানি হজম টনিক
উপাদানসমূহ (প্রতি ট্যাবলেটে)
- নমক সিয়াহ – ১০০ মি.গ্রাম
- নমক সাম্ভার – ১০০ মি.গ্রাম
- কিবরীত মুছাফ্ফা – ৮০ মি.গ্রাম
- নৌশাদর – ৮০ মি.গ্রাম
- যাঞ্জাবীল (আদা) – ৪০ মি.গ্রাম
- ফিলফিল সিয়াহ (কালো মরিচ) – ৪০ মি.গ্রাম
- অন্যান্য সক্রিয় ও সহযোগী উপাদান – উপযুক্ত মাত্রায়
কার্যকারিতা (রোগ নির্দেশ)
Safaron (Qurs Hazmola) একটি ঐতিহ্যবাহী ইউনানি ওষুধ, যা হজম সংক্রান্ত নানা সমস্যায় অত্যন্ত কার্যকর—
- হজমে দুর্বলতা ও অজীর্ণতা দূর করতে সহায়তা করে
- কোষ্ঠকাঠিন্য নিরসনে সাহায্য করে
- অম্লতা ও বুক জ্বালাপোড়া কমায়
- পেট ফাঁপা, গ্যাস ও হিক্কি দূর করে
- বমিভাব ও পাকস্থলীর অস্বস্তি কমায়
সেবন নির্দেশিকা
প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য:
১টি ট্যাবলেট দিনে ২ বার, খাবারের পর
অথবা:
চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সেবন করুন
সারসংক্ষেপ টেবিল
| বিষয় | বিবরণ |
|---|---|
| পণ্যের নাম | Safaron (Qurs Hazmola) |
| ট্যাবলেট সংখ্যা | ৩০টি |
| কার্যকারিতা | হজম সমস্যা, কোষ্ঠকাঠিন্য, অম্লতা, পেট ফাঁপা, হিক্কি, বমিভাব |
| মূল উপাদান | নুন সিয়াহ, নুন সাম্ভার, কিবরীত মুছাফ্ফা, নৌশাদর, আদা, কালো মরিচ |
| সেবন নিয়ম | ১টি × ২ বার / খাবার পর বা ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী |
সংক্ষেপে
Safaron (Qurs Hazmola) একটি প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী ইউনানি প্রস্তুতকৃত ওষুধ, যা হজমের সমস্যা, কোষ্ঠকাঠিন্য, অসহ্য অম্লতা, পেট ফাঁপা, হিক্কি ও বমিভাব নিরসনে নিরাপদ ও কার্যকর সমাধান প্রদান করে।





জুবায়ের আহমেদ পলক –
পেটে গ্যাস হয়ে প্রায়ই হিক্কি উঠতো যা খুব অস্বস্তিকর ছিল। এই ট্যাবলেটটি খাওয়ার সাথে সাথেই হিক্কি এবং পেটের গ্যাস দূর হয়ে যায়।
—জুবায়ের আহমেদ পলক, নীলফামারী।
আসিফ ইকবাল –
পেটে অতিরিক্ত গ্যাস জমার কারণে ঘন ঘন হিক্কি উঠে খুব বিব্রতকর অবস্থায় পড়তে হতো। এই ট্যাবলেটটি চিবিয়ে খাওয়ার সাথে সাথেই হিক্কি বন্ধ হয়ে যায়।
—আসিফ ইকবাল, পঞ্চগড়।
মারুফা বেগম –
বদহজম এবং পেটের গ্যাসের কারণে মুখে কোনো রুচি পাচ্ছিলাম না। এই ট্যাবলেটটি খাওয়া শুরু করার পর পেটের অস্বস্তি কমে খাওয়ার রুচি বেড়েছে।
—মারুফা বেগম, নড়াইল।
ফাতেমা জোহরা –
বদহজমের কারণে মুখে রুচি থাকতো না এবং অল্প খেলেই পেট ভরে যেত। এটি খাওয়ার পর পেটের অস্বস্তি দূর হয়েছে এবং খাওয়ার রুচিও বেড়েছে।
—ফাতেমা জোহরা, চাঁদপুর।
সাইদুর রহমান –
আদা ও কালো মরিচ মিশ্রিত উপাদান হওয়ায় এর কার্যকারিতা খুব দ্রুত প্রকাশ পায়। কেমিক্যালমুক্ত হওয়ায় পরিবারের সবাই এটি নিশ্চিন্তে খাচ্ছি।
—সাইদুর রহমান, ঝালকাঠি।
মনিরুজ্জামান –
প্রাকৃতিক আদা আর কালো মরিচের উপাদান থাকায় এটি খেতেও বেশ ভালো লাগে। কোনো কেমিক্যাল বা সাইড ইফেক্টের ভয় ছাড়াই প্রতিদিন খাওয়া যায়।
—মনিরুজ্জামান, শেরপুর।
জেসমিন আরা –
দুপুরের ভারী খাবার খাওয়ার পর অফিস ডেস্কে বসে কাজ করতে খুব অলসতা আর পেট ভারী লাগতো। এটি খাওয়ার পর পেট একদম হালকা লাগে।
—জেসমিন আরা, ঝিনাইদহ।
শফিকুল আলম –
ভারী খাবার খাওয়ার পর হজম হতে খুব সমস্যা হতো। নিয়মিত খাবারের পর এই হজম টনিকটা খাচ্ছি, এখন হজম প্রক্রিয়া অনেক উন্নত হয়েছে।
—শফিকুল আলম, কক্সবাজার।
আহসান হাবীব –
ভ্রমণের সময় বা বাসে জার্নি করলে আমার মাথা ঘোরা ও বমিভাব হতো। ব্যাগে এই সাফারন ট্যাবলেটটা রাখার পর থেকে জার্নিতে আর কোনো সমস্যা হয় না।
—আহসান হাবীব, বরগুনা।
উম্মে কুলসুম –
বাইরের ভাজাপোড়া বা ঝাল খাবার খেলে পেটে যে অস্বস্তি তৈরি হতো, তা এই প্রাকৃতিক হজম টনিকটি খাওয়ার পর খুব দ্রুত কেটে যায়।
—উম্মে কুলসুম, পটুয়াখালী।
লায়লা আরজুমান্দ –
ভ্রমণের সময় বা বাসে উঠলে যে বমি বমি ভাব হতো, তা দূর করতে এই সাফারন ট্যাবলেট দারুণ কাজ করে। এখন ভ্রমণের সময় এটি আমার সার্বক্ষণিক সঙ্গী।
—লায়লা আরজুমান্দ, খুলনা।
মাহবুব আলম –
কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যায় ভুগছিলাম অনেকদিন ধরে। একজন চিকিৎসকের পরামর্শে রাতে খাবারের পর এই ট্যাবলেট খাচ্ছি, এখন পেট খুব ক্লিয়ার হয়।
—মাহবুব আলম, মেহেরপুর।
মোস্তফা কামাল –
অনিয়মিত খাওয়ার কারণে পেটে টক ঢেকুর উঠতো এবং পেট ফুলে থাকতো। এই ইউনানি ট্যাবলেটটি খাওয়ার পর টক ঢেকুর ওঠা পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে।
—মোস্তফা কামাল, ভোলা।
আশরাফুল ইসলাম দূর্জয় –
মাঝেমধ্যেই পেটে গ্যাস জমে টক ঢেকুর উঠতো আর বুক জ্বালা করতো। এই ট্যাবলেটটি চিবিয়ে খাওয়ার পর টক ঢেকুর ওঠা পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে।
—আশরাফুল ইসলাম দূর্জয়, মাগুরা।
সানজিদা আক্তার –
আমার এসিডিটির কারণে রাতে ঘুমানোর সময় বুক জ্বালাপোড়া করতো। গ্যাস্ট্রিকের ক্যাপসুল বাদ দিয়ে এটি খাচ্ছি, এখন বুক জ্বলা একদম নেই।
—সানজিদা আক্তার, শরীয়তপুর।
রিফাত হাসান –
হোটেলের খাবার বা বিরিয়ানি খেলেই পেটে গ্যাস জমে বুক ধড়ফড় করতো। খাবারের পর এই ট্যাবলেটটি খেলে পেটের গ্যাস নিমিষেই দূর হয়ে যায়।
—রিফাত হাসান, নাটোর।
ইমরান খান –
আমার অনেকদিন ধরে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা ছিল, যার কারণে সকালে খুব কষ্ট হতো। রাতে এটি সেবনের পর এখন পেট পরিষ্কার হয় এবং ভালো বোধ করি।
—ইমরান খান, সিরাজগঞ্জ।
সাদিয়া আফরিন –
অফিসের ডেস্কে দীর্ঘক্ষণ বসে থাকার কারণে পেট ভারী হয়ে থাকতো। দুপুরের খাবারের পর এটি খেলে পেট ফাঁপা ভাব হয় না, শরীর হালকা লাগে।
—সাদিয়া আফরিন, নারায়ণগঞ্জ।
রাশেদুল ইসলাম রাজিব –
বাইরের তেহারি বা বিরিয়ানি খেলেই আমার বদহজম হতো এবং পেট ফুলে থাকতো। এখন ভারী কোনো খাবার খাওয়ার পরপরই এই ইউনানি হজম টনিকটা খেয়ে নিই। এটা খাওয়ার পর পেটের ফাঁপা ভাব নিমিষেই দূর হয়ে যায় এবং খাবার দ্রুত হজম হয়।
—রাশেদুল ইসলাম রাজিব, রংপুর।
নাজমুল হাসান পাপন –
পেট ফাঁপা এবং বদহজমের জন্য নিয়মিত গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ খেতে হতো। ইউনানি এই ফর্মুলাটি ব্যবহার শুরু করার পর থেকে পেটের অস্বস্তি একদম চলে গেছে।
—নাজমুল হাসান পাপন, রাজবাড়ী।
মো: তারেক চৌধুরী –
হুটহাট তৈলাক্ত খাবার খেলে পেটে তীব্র এসিডিটি হতো। এই সাফারন ট্যাবলেটটা খাওয়ার পর অম্লতা আর এসিডিটির সমস্যা খুব দ্রুত উপশম হয়।
—তারেক চৌধুরী, টাঙ্গাইল।
সুলতানা রাজিয়া –
সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপাদান দিয়ে তৈরি হওয়ায় কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার ভয় নেই। প্রতিদিনের বদহজমের সমস্যায় এটি খুবই নিরাপদ এবং কার্যকর একটা ওষুধ।
—সুলতানা রাজিয়া, দিনাজপুর।
মেহরাব হোসেন –
ভ্রমণের সময় পেটে গ্যাস হয়ে মাথা ঘুরাতো। এখন ব্যাগে সবসময় এই ৩০ ট্যাবলেটের প্যাকটা রাখি, জার্নিতে পেটের অস্বস্তি দূর করতে দারুণ কাজ দেয়।
—মেহরাব হোসেন, নোয়াখালী।
রোকসানা আক্তার –
আমার মায়ের গ্যাসের সমস্যা অনেকদিনের। উনাকে এই ট্যাবলেটটা এনে দিয়েছি। মা বললেন এটা খাওয়ার পর পেটের ফাঁপা ভাব আর এসিডিটি অনেক কমেছে।
—রোকসানা আক্তার, নরসিংদী।
ইভান আহাম্মেদ –
ভ্রমণের সময় বা বাসে উঠলে আমার প্রায়ই মাথা ঘোরায় আর বমি বমি ভাব হয়। এক বন্ধুর পরামর্শে ব্যাগে এই সাফারন ট্যাবলেটটা রেখেছিলাম। গত পরশু জার্নি করার সময় একটা ট্যাবলেট খেয়ে নিয়েছিলাম, পুরো রাস্তায় একটুও বমিভাব বা অস্বস্তি হয়নি।
—ইভান আহাম্মেদ, সিলেট
নুসরাত জাহান চৌধুরী –
অফিসের কাজের চাপে দুপুরের খাবার টেবিলে বসে খাওয়ার সময় পাই না। তাড়াহুড়ো করে খাওয়ার কারণে প্রতিদিন বিকেলে মারাত্মক অম্লতা আর হিক্কি উঠতো। দুপুরের খাবারের পর এই ট্যাবলেটটি খাওয়া শুরু করার পর থেকে হিক্কি ওঠা এবং এসিডিটি দুটোই বন্ধ হয়ে গেছে।
—নুসরাত জাহান চৌধুরী, ঢাকা।
সাজ্জাদ হোসেন সাজিদ –
আমার অনেকদিন ধরে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা ছিল, যার কারণে সারাদিন শরীরে একটা অস্বস্তি কাজ করতো। একজন কবিরাজের মুখে এই ইউনানি ফর্মুলার কথা শুনে খাওয়া শুরু করি। মাত্র কয়েকদিনেই খুব ভালো রেজাল্ট পেয়েছি, পেট একদম হালকা লাগে।
—সাজ্জাদ হোসেন, যশোর।
মো: তানভীর রহমান বাপ্পি –
ভারী খাবার খাওয়ার পর পেটে গ্যাস জমে বুক ধড়ফড় করতো। বিশেষ করে রাতে ঘুমানোর সময় খুব কষ্ট হতো। এই সাফারন ট্যাবলেটটা নিয়মিত খাওয়ার পর থেকে গ্যাসের সমস্যা অনেক কমে গেছে, এখন শান্তিতে ঘুমাতে পারি। প্রাকৃতিক উপাদান হওয়ায় কোনো চিন্তা ছাড়াই খাওয়া যায়।
—তানভীর রহমান বাপ্পি, কুমিল্লা।
সায়েম আহমেদ –
দুপুরের খাবার হজম হতে অনেক সময় লাগতো। এখন প্রতিদিন দুপুরে খাওয়ার পর এটি খাচ্ছি, খাবার খুব দ্রুত ও ভালোভাবে হজম হচ্ছে।
—সায়েম আহমেদ, গাজীপুর।
ফারহানা ইয়াসমিন –
হঠাৎ কিছু খেলে অনেক সময় বমি বমি ভাব হতো। এই সাফারন ট্যাবলেটটা মুখে দিলে বমিভাব কাটার পাশাপাশি মুখের রুচিও ফিরে আসে।
—ফারহানা ইয়াসমিন, কুষ্টিয়া।
আরিফুল হক –
কোষ্ঠকাঠিন্যের জন্য সকালে পেট পরিষ্কার হতো না। নিয়মিত রাতে খাবারের পর এই ট্যাবলেটটি খাচ্ছি, এখন কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা অনেকটাই দূর হয়েছে।
—আরিফুল হক, ময়মনসিংহ।
শামীমা নাসরিন –
পেটে গ্যাস জমে সারাক্ষণ অস্বস্তি লাগতো এবং ঘন ঘন হিক্কি উঠতো। এই হজমি ট্যাবলেটটা খাওয়ার পর গ্যাস আর হিক্কি দুটোই দূর হয়েছে।
—শামীমা নাসরিন, পাবনা।
কবির হাসান মোল্লা –
বিরিয়ানি বা রিচ ফুড খেলেই পেট ভারী হয়ে থাকতো। এখন খাওয়ার পর এই ট্যাবলেট একটা খেয়ে নিলেই পেট একদম হালকা লাগে, বদহজম হয় না।
—কবির হাসান, বরিশাল।
মাইনুল ইসলাম –
আমার এসিডিটির কারণে প্রায়ই বুক জ্বালাপোড়া করতো। গ্যাস্ট্রিকের ক্যাপসুল বাদ দিয়ে এই ইউনানি ট্যাবলেটটা খাচ্ছি, খুব দ্রুত বুক জ্বলা কমে যায়।
—মাইনুল ইসলাম, ফেনী।
জাহিদুল ইসলাম –
বাইরের ভাজাপোড়া খাওয়ার পর পেটে যে একটা অস্বস্তি আর ফাঁপা ভাব তৈরি হতো, তা এই ইউনানি টনিকটা খাওয়ার পর একদম চলে যায়।
—জাহিদুল ইসলাম, নাটোর।