Azmarin Capsule

(24 customer reviews)

350.0৳ 

Description

বর্ণনা:
Azmarin Capsule (Habb-E-Sual) একটি কার্যকর ইউনানী হারবাল ওষুধ, যা শ্বাসযন্ত্রের বিভিন্ন সমস্যা যেমন হাঁপানী, শ্বাসকষ্ট, কাশি, ব্রংকাইটিস ও অ্যালার্জিজনিত ঠান্ডায় অত্যন্ত উপকারী। এটি প্রাকৃতিক ভেষজ উপাদানে তৈরি হওয়ায় শরীরের কোনো ক্ষতি না করে শ্বাসনালীকে পরিষ্কার ও শক্তিশালী করে।

এই ক্যাপসুলে রয়েছে দারচিনি, করণফুল, ফিলফিল সিয়াহ, খুলজান, কাবাব চিনি ও পোস্ত হলীলা ফর্দ — যেগুলো একত্রে কাজ করে ফুসফুসের প্রদাহ কমিয়ে কফ নির্গমন সহজ করে এবং শ্বাস নিতে আরাম দেয়।

মূল উপকারিতা:

  • হাঁপানী ও ব্রংকাইটিসে দ্রুত উপশম
  • ঠান্ডা ও অ্যালার্জিজনিত কাশিতে কার্যকর
  • শ্বাসকষ্ট কমায় ও শ্বাসনালী পরিষ্কার রাখে
  • গলা ব্যথা ও কফ জমে থাকা রোধ করে
  • ইমিউন সিস্টেমকে শক্তিশালী করে

সেবনবিধি:

  • প্রাপ্তবয়স্ক: দিনে ১টি ক্যাপসুল ১–২ বার
  • সেবনের পরামর্শ: খাবারের পর কুসুম গরম পানির সাথে
  • চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সেবন করা শ্রেয়

সতর্কতা:

  • শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন
  • গর্ভবতী ও স্তন্যদানকারী নারীরা চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া সেবন করবেন না
  • কোনো উপাদানে অ্যালার্জি থাকলে ব্যবহার বন্ধ করুন

সংরক্ষণ:
শীতল ও শুকনো স্থানে, সরাসরি সূর্যালোক থেকে দূরে রাখুন।

উপযোগী ব্যক্তিরা:
যারা বারবার ঠান্ডা, কাশি বা শ্বাসকষ্টে ভোগেন, হাঁপানীর রোগী, বা ধুলাবালি ও অ্যালার্জিতে শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত।


24 reviews for Azmarin Capsule

  1. শায়লা শারমিন –

    সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপাদান দিয়ে তৈরি হওয়ায় কোনো রকম পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়াই আমার দীর্ঘদিনের শুকনো কাশি ও গলার খুসখুসে ভাব দূর হয়েছে।
    —শায়লা শারমিন, বরগুনা।

  2. শফিকুল আলম –

    আব্বুর ক্রনিক অ্যাজমার কারণে সিঁড়ি দিয়ে উঠলেই হাঁপিয়ে যেতেন। আজমেরিন ক্যাপসুল খাওয়ানোর পর উনার শ্বাস-প্রশ্বাস এখন অনেক স্বাভাবিক ও আরামদায়ক।
    —শফিকুল আলম, লক্ষ্মীপুর।

  3. উম্মে হাবিবা রহমান –

    ধুলাবালির কারণে যাদের প্রতিনিয়ত হাঁচি ও অ্যালার্জিজনিত শ্বাসকষ্ট হয়, তাদের জন্য এটি দারুণ কার্যকরী। আমি নিজে ব্যবহার করে খুব ভালো ফল পেয়েছি।
    —উম্মে হাবিবা রহমান, জামালপুর।

  4. জাহিদুল ইসলাম –

    আমার ছোট বোনের ঠান্ডা লেগে গলা বসে গিয়েছিল এবং বুকে শব্দ হতো। এই হারবাল ক্যাপসুলটি মাত্র ৩ দিন খেয়েই তার গলা পরিষ্কার ও ভালো হয়ে গেছে।
    —জাহিদুল ইসলাম, নাটোর।

  5. রোকসানা পারভীন –

    এই ইউনানী ক্যাপসুলটি শ্বাসনালীর প্রদাহ কমিয়ে আমাকে দ্রুত সুস্থ হতে সাহায্য করেছে।
    —রোকসানা পারভীন, ঝিনাইদহ।

  6. তানভীর আহমেদ –

    ইনহেলারের বিকল্প হিসেবে চমৎকার একটি প্রাকৃতিক সমাধান। এটি নিয়মিত সেবনের পর থেকে আমার দৈনিক ইনহেলার নেওয়ার প্রয়োজন অনেক কমে গেছে।
    —তানভীর আহমেদ, মাগুরা।

  7. সানজিদা আক্তার –

    আমার দাদার রাতে কাশির জন্য ঘুমানো কষ্টকর ছিল। খাবারের পর কুসুম গরম পানি দিয়ে এটি খাওয়ানোর পর উনার রাতের কাশি ও হাঁপানির টান অনেক কমেছে।
    —সানজিদা আক্তার, সিরাজগঞ্জ।

  8. মোঃ আসাদুজ্জামান খান –

    সামান্য ধুলাবালি বা ধোঁয়া নাকে গেলেই আমার শ্বাসকষ্ট শুরু হয়ে যেত। আজমেরিন ক্যাপসুল খাওয়ার পর থেকে আমার ফুসফুসের কার্যক্ষমতা অনেক বেড়েছে।
    —মোঃ আসাদুজ্জামান খান, ফরিদপুর।

  9. রিফাত আল হাসান –

    আবহাওয়া বদল হলেই আমার বুকে কফ জমে দম আটকে আসতো। এই ক্যাপসুলটি ব্যবহারের পর থেকে কফ সহজে বের হয়ে গেছে এবং বুক অনেক হালকা লাগছে।
    —রিফাত আল হাসান, টাঙ্গাইল।

  10. তানিয়া সুলতানা –

    ​অ্যালার্জিজনিত কারণে যারা প্রতিনিয়ত হাঁচি ও শ্বাসকষ্টে ভোগেন, তাদের জন্য এটি চমৎকার একটি হারবাল সমাধান। ব্যবহার করে আমি খুবই উপকৃত হয়েছি।
    —তানিয়া সুলতানা, গাজীপুর।

  11. সাইফুল ইসলাম –

    আমার আব্বুর ক্রনিক হাঁপানির সমস্যা অনেক বছরের। চিকিৎসকের পরামর্শে এটি খাওয়াচ্ছি, উনার দম আটকে আসার মতো কষ্টটা এখন আর হয় না।
    —সাইফুল ইসলাম, নোয়াখালী।

  12. ফারজানা ইয়াসমিন –

    ​ঠান্ডা লেগে গলা বসে যাওয়া এবং বুকে ঘড়ঘড় শব্দ হওয়া বন্ধ করতে এই ক্যাপসুলটি সেরা। প্রাকৃতিক উপাদান হওয়ায় কোনো সাইড ইফেক্ট পাইনি।
    —ফারজানা ইয়াসমিন, খুলনা।

  13. নুসরাত জাহান –

    হালকা আবহাওয়া পরিবর্তন হলেই আমার গলায় ইনফেকশন আর খুসখুসে কাশি হতো। আজমেরিন ক্যাপসুল নিয়মিত খেয়ে এখন আমি পুরোপুরি সুস্থ ও আরাম বোধ করছি।
    —নুসরাত জাহান, ফেনী।

  14. মেহেরুন নেসা –

    আমার আম্মার অনেক দিনের পুরোনো সাইনাস ও অ্যালার্জিজনিত কাশির সমস্যায় এই ভেষজ ওষুধটি চমৎকার কাজ করেছে। এখন উনার কাশি একদম নেই।
    —মেহেরুন নেসা, নরসিংদী।

  15. কাজী আরিফুর রহমান –

    ইনহেলার ব্যবহার করেও আমার শ্বাসকষ্ট পুরোপুরি কমতো না। এই ভেষজ ক্যাপসুলটি সেবনের পর থেকে ইনহেলারের ওপর নির্ভরতা অনেক কমে এসেছে, দারুণ প্রডাক্ট।
    —কাজী আরিফুর রহমান, কুষ্টিয়া।

  16. ফাতেমা তুজ জোহরা –

    ​আমার নানার বয়সজনিত হাঁপানির টানে এটি খুব ভালো কাজ করেছে। উনার শ্বাসকষ্ট এখন আগের চেয়ে অনেক কম এবং রাতে ভালো ঘুমাতে পারেন।
    —ফাতেমা তুজ জোহরা, বরিশাল।

  17. মোঃ কামরুজ্জামান –

    ​আমার শ্বাসনালীর প্রদাহ এবং ব্রংকাইটিসের সমস্যায় এই ইউনানী ওষুধটি জাদুর মতো কাজ করেছে। শ্বাস নিতে এখন আর কোনো কষ্ট হয় না।
    —মোঃ কামরুজ্জামান, পাবনা।

  18. শফিকুল ইসলাম –

    অল্পতেই ঠান্ডা লেগে বুকে কফ জমে যাওয়া আমার নিত্যদিনের সমস্যা ছিল। আজমেরিন ক্যাপসুল খাওয়ার পর থেকে বুক অনেক হালকা লাগে, কোনো কফ জমে থাকে না।
    —শফিকুল ইসলাম, ময়মনসিংহ।

  19. সাদিয়া আফরিন –

    মায়ের দীর্ঘদিনের পুরনো শুকনো কাশির জন্য এটি কিনেছিলাম। মাত্র এক সপ্তাহ নিয়ম মেনে কুসুম গরম পানির সাথে খেয়েই উনার কাশি একদম কমে গেছে।
    —সাদিয়া আফরিন, সিলেট।

  20. নাহিদ হাসান –

    আমার ছোট ভাইয়ের ধুলাবালিতে গেলেই প্রচণ্ড কাশি আর শ্বাসকষ্ট শুরু হতো। এই ক্যাপসুলটি খাওয়ানোর পর আল্লাহর রহমতে তার অ্যালার্জির সমস্যা এখন অনেক নিয়ন্ত্রণে।
    —নাহিদ হাসান, রংপুর।

  21. মোঃ মাহফুজুর রহমান –

    আমার দাদার বয়সজনিত কারণে হালকা চলাফেরা করলেই হাঁপিয়ে উঠতেন এবং শ্বাসকষ্ট হতো। এই আজমেরিন ক্যাপসুল (Habb-E-Sual) ব্যবহারের পর থেকে উনার ফুসফুসের কার্যক্ষমতা আগের চেয়ে অনেক উন্নত মনে হচ্ছে। এখন উনার শ্বাস-প্রশ্বাস বেশ স্বাভাবিক এবং উনি রাতে শান্তিতে ঘুমাতে পারেন।
    —মাহফুজুর রহমান, দিনাজপুর।

  22. জেরিন তাসনিম –

    ​আমি দীর্ঘদিন ধরে ক্রনিক ব্রংকাইটিসের সমস্যায় ভুগছিলাম। বিশেষ করে রাতের বেলা কাশির তীব্রতা এত বাড়তো যে ঘুমাতেই পারতাম না। চিকিৎসকের পরামর্শে গরম পানির সাথে এই ক্যাপসুলটি খাওয়া শুরু করার পর কাশির বেগ অনেক কমেছে। হারবাল ওষুধ হিসেবে এটি সত্যিই দারুণ কাজ করেছে।
    —জেরিন তাসনিম, কুমিল্লা।

  23. রাশেদুজ্জামান খাঁন –

    ​শীত বা বর্ষা এলেই আমার প্রচণ্ড অ্যালার্জি আর নাক বন্ধ হয়ে যাওয়ার সমস্যা হতো। ইনহেলার ব্যবহার করেও পুরোপুরি শান্তি পেতাম না। এই ইউনানী ক্যাপসুলটি নিয়মিত সেবনের পর থেকে অ্যালার্জির সমস্যা অনেক কমে গেছে। এখন ধুলাবালিতে গেলেও আগের মতো দম আটকে আসে না।
    —রাশেদুজ্জামান খাঁন, যশোর।

  24. তানজিলা রহমান –

    আমার মায়ের অনেকদিন ধরে বুকে কফ জমে থাকার সমস্যা ছিল। সামান্য ঠান্ডা বাতাস লাগলেই উনার গলা খুসখুস করতো আর শ্বাস নিতে কষ্ট হতো। পরিচিত একজনের কথা শুনে আজমেরিন ক্যাপসুল খাওয়ানো শুরু করি। এখন আল্লাহর রহমতে উনার বুকের জমানো কফ একদম পরিষ্কার হয়ে গেছে এবং উনি খুব স্বাচ্ছন্দ্যে শ্বাস নিতে পারছেন।
    —তানজিলা রহমান, রাজশাহী।

Add a review

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Add to cart